Home কুরআন ও হাদিসের আলো কুরআনের আলো ঈদ যেন হয় সবার জন্য সমান

ঈদ যেন হয় সবার জন্য সমান

“সম্পত্তি বন্টনের সময় যখন আত্বীয়-স্বজন, এতিম ও মিসকীন উপস্থিত হয়, তখন তা থেকে তাদের কিছু খাইয়ে দাও এবং তাদের সাথে সদালাপ করো।” (সূরা নিসা-আয়াত: ৮)
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে খুশি। ঈদ আসে ঈদ যায়। বছর ঘুরে আবার আমাদের মাঝে সমবেত হলো ঈদুল ফিতর, যা বিশ্বে সব মুসলিমের বৃহত্তম আনন্দ উৎসবের দিন। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের পবিত্র মাস রমজানকে বিদায়ে জানাতে না জানাতেই ঈদুল ফিতরের বাকাঁ চাঁদ নিয়ে এসেছে আনন্দ। হ্যাঁ, এ আনন্দ মানবতার। এ আনন্দ বিশ্ববাসীর। এ আনন্দ ধনী-গরীব ছোট-বড় সবার। তবে এ আনন্দ প্রকৃতপে বেরোজাদারের জন্য নয়। এ আনন্দ প্রতিটি রোজাদার মুসলিমের।
প্রতিবারের ন্যায় এবারও ঈদ এসেছে সফলতার বার্তা নিয়ে। ঈদ এসেছে নতুন বছরের সওগাত নিয়ে। এই ঈদকে ঘিরেই মুসলিম মিল্লাতের নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, ধনী-গরিব, শত্র“-মিত্র, সবার অনুপম প্রত্যাশা, অনুপম আনন্দ। তারা ধনী-গরিবের, শত্র“-মিত্রের, ব্যবধান ভুলে এক কাতারে ঈদের নামায আদায় করবে। ঈদের খুশি ভাগাভাগি করে নিবে সবাই। পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন সৃষ্টি করবে। সবার মধ্যে পরোপকার ও ত্যাগের মহান আদর্শে অনুপ্রানিত হওয়ার অনুপ্রম প্রত্যাশা। এই ঈদ শুধু বিত্তবানদের জন্যই নয়, এই আনন্দে এতিমদেরও অধিকার রয়েছে। তাই গরীব-দু:খী, এতিম মিসকীনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে হবে। তা হোক নিজেদের সম্পদের উৎসর্গ কিংবা দু’মুঠো অন্ন দানের মাধ্যমে। শুধু ভোগের মানিসকতায় নয়, বরং সাম্য ও উদারতার ভাস্বরে ঈদুল ফিতরের শিায় উজ্জীবিত হতে হবে। কোন নির্দিষ্ট শ্রেণী-পেশার জন্য নয়, ঈদ যেন হয় সবার জন্য সমান।
প্রিয় বন্ধুরা,
এসো ঈদের দিনের এই আনন্দের সাথে গরীব-দু:খীদেরও শামিল করে নিই।

গ্রন্থনায়:
আবদুল কুদ্দুস মাখন

SHARE

1 COMMENT

Leave a Reply